কীভাবে ভালো মানের হেলমেট চিনবেন ?

2020-10-18   59   English  
কীভাবে ভালো মানের হেলমেট চিনবেন ?


হেলমেট একজন বাইকারের কাছে খুবই প্রয়োজনীয় একটা গিয়ারস। হ্যাঁ! হেলমেট সর্বাধিক সুরক্ষা প্রদানকারী একটি গিয়ার যা সকল রাইডার তাদের নিজের সুরক্ষার জন্য ব্যাবহার করে থাকে। আমাদের মাথা আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং হেলমেট সেই অঙ্গকেই যে কোন খারাপ ঘটনার হাত থেকে বাঁচায়, তাই নিজেকে বাঁচাতে হেলমেট পরার বিকল্প নেই। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ রাইডারই এখন এই গিয়ার সম্পর্কে সচেতন এবং হেলমেট পরে থাকেন, তবে কখনও কখনও আমাদের জন্য সেরাটি বেছে নেওয়ার সময় আমরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি। অনেকেই ট্র্যাফিক সার্জেন্ট এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নাম মাত্র একটি হেলমেট পড়ি যা সুক্ষার কোন অংশের মধ্যেই ধরা যায় না। ভালো মানের সার্টিফাইড হেলমেট পরিধানের মাধ্যেমে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায় পাশাপাশি শীতের সময় মাথায় ঠান্ডা লাগা কিংবা বৃষ্টির দিনে মাথাকে পানি থেকে সুরক্ষা করা সহ ভালো মানের হেলমেটের জুরি নেই। আজ আমরা আলোচনা করবো কীভাবে ভালো মানের হেলমেট চিনবেন।


    ভালো মানের হেলমেট চেনার আগে চলুন চিনে আসি হেলমেটের ধরণগুলো
    হাফ হেলমেট
    ওপেন ফেস হেলমেট
    ফুল ফেস হেলমেট
    মডিউলার হেলমেট / ফ্লিপ আপ হেলমেট
    ওফ রোড হেলমেট / ক্রস হেলমেট
    ডুয়াল স্পোর্টস হেলমেট

ভালো হেলমেট চিনুন ম্যাটারিয়ালস ও প্যাডিং দেখে
ভালো মানের হেলমেট চেনার প্রথম উপায় হল তার ম্যাটারিয়ালস। বেশিরভাগ হেলমেট সাধারণত ভালো মানের ফাইবার-গ্লাসের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি হয় এবং উচ্চ প্রান্তগুলি কার্বন কম্পোজিট এবং কেভলার দিয়ে তৈরি হয়।এদিকে হেলমেটের অভ্যন্তরীণ অংশগুলো পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখতে ব্যবহার করা হয় ভালো মানের কুশন যার মধ্যে বায় জাল থাকে এবং এটা ঘাম শোষণে বেশ সহায়ক। প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হেলমেটের কোন নিশ্চয়তা নেই এবং সেটা পড়লেই ভেঙ্গে যাবে। হেলমেট যেহেতু দীর্ঘক্ষন ব্যবহার করতে হয় সেহেতু ভেতরের প্যাডিং খুলে পরিষ্কার করা যায় কী না এবং হেলমেটের ওজন যথেষ্ট হালকা কী না সেটা দেখে নেওয়া জরুরী।
ভালো হেলমেট চিনুন সার্টিফাইড দেখে
ভালো মানের হেলমেট অবশ্যই সার্টিফাইড হবে তার কারণ এটা বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন ভাবে সে কোম্পানীগুলো পরিক্ষা নিরীক্ষা করে তা রাইডারের ব্যবহার উপযোগী কী/না তা নিশ্চিত করে। ECE, DOT, Snell এগুলো সার্টিফাইড কী না সেটা দেখে নিতে হবে। ECE এর পুর্নরপ হচ্ছে Economic Commission for Europe, DOT এর পুর্নরপ হচ্ছে Department of Transportation, Snell হচ্ছে একটি প্রাইভেট অলাভজনক সংস্থা যারা হেলমেটের কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ করে থাকে । অন্যান্য সার্টিফাইড এর থেকে Snell সার্টিফাইড কঠোর মান নিয়ন্ত্রন এর মাধ্যমে হেলমেটের গুণগত মান যাচাই করে এবং এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হেলমেটের মান নিয়ন্ত্রণের উপর কাজ করে আসছে । তাই যখন একটি ভালো মানের হেলমেট কিনবেন তখন অবশ্যই এই সার্টিফাইডগুলো আছে কী/না তা যাচাই বাছাই করে কিনবেন। আমাদের দেশে বেশিরভাগ হেলমেটে ECE, DOT বেশি লক্ষ্য করা যায় তাই অবশ্যই ভালো মানের হেলমেটের যাচাই করার আগে কী কী সার্টিফাইড রয়েছে তা যাচাই করে কিনুন।
ভালো হেলমেট চিনুন আরাম দেখে
হেলমেটগুলোতে সাধারণত ব্যবহার করা হয় বায়ুচলাচলের জন্য উন্নতমানের ভেন্টিলেশন সিস্টেম যেটা গরমের দিনে আপনার হেলমেট ও মাথকে রাখবে শীতল। ভেন্টিলেশন সিস্টেম ভালো হলে রৌদ্রের মধ্যে বেশিক্ষন হেলমেট পড়ে বাইক রাইড রাইডারের অস্বস্তিবোধ হয় না এবং এয়ার ভেন্টিলেশন সিস্টেম ভালো হবার ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে কোন সমস্যা হয় না । তাই ভালো মানের হেলমেট কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিবেন সেই হেলমেটের এয়ার ভেন্টিলেশন সিস্টেম এতে করে আপনি রাইড করতে এবং বেশিক্ষন হেলমেট পরিধান করতে অস্বস্তিবোধ করবেন না। সুতরাং ভালো মানের হেলমেট ক্রয় করার আগে সেই হেলমেটের এয়ার ভেন্টিলেশন সিস্টেম এবং আপনার মাথার সাইজ অনুযায়ী পারফেক্ট সাইজের হেলমেট বেছে নিন।
ভালো হেলমেট চিনুন ভাইজর দেখে
হেলমেটের প্রধান অংশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এর ভাইজর (সামনের স্বচ্ছ প্লাস্টিক) যা আমাদের সামনের যে কোন জিনিস দেখতে সাহায্য করে পাশাপাশি রাস্তায় থাকা বালু কণা , কাদা, ময়লা পানি ইত্যাদি যে আমাদের চোখে , ত্বকে এসে না লাগে সেজন্য ভাইজার ব্যবহার করা জরুরি। একটি ভালো মানের হেলমেটের ভাইজর অবশ্যই উন্নতমানের থাকে । এই ভাইজরে দাগ কম পড়ার প্রবণতা কম থাকে এবং এটা বাইরের ধুলি কণা, বৃষ্টির পানি, কাদা ইত্যাদি মুখে লাগা থেকে রোধ করে যার কারণে একটি ভালো মানের হেলমেটের ভাইজর অবশ্যই উন্নত আছে কী/ না সেটা যাচাই করে নিতে হবে। অন্যদিকে শীতকালে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে কুয়াশার মধ্যে হেলমেটের ভাইজর ভিজে ঝাপসা হয়ে যায় যা রাইড করার ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকিপুর্ন। ভালোমানের হেলমেটের সাথে এন্টি ফগ ভাইজর আছে কী/না সেটাও যাচাই করে নিবেন।
ভালো হেলমেট চিনুন স্টাইল,কভারেজ এরিয়া এবং ফিটিংস দেখে
আমরা কম বেশি সবাই একটি রুচিশীল ভালো মানের হেলমেট ব্যবহার করতে চাই। হেলমেট বাইক রাইড করার সময় অনেকেই লক্ষ্য করে এবং এটা বাইকারদের জন্য সচেতনতার পরিচয় বহন করে। তরুণদের কাছে জাঁকজমকপুর্ন ডিজাইনের হেলমেট বেশি গ্রহণযোগ্য অন্যদিকে মাঝারি বয়সের রাইডারদের কাছে রুচিশীল ডিজাইন ও ভালো কালার কম্বিনেশনের ডিজাইন গ্রহণযোগ্য। আপনি কোন স্টাইল বা কালারের হেলমেট পড়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন এটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই যে হেলমেটই কিনুন না কেন সেটা কেনার আগে আপনার পছন্দের স্টাইল , কালার কম্বিনেশন এবং সেগুলোর মান অবশ্যই যাচাই করে কিনবেন।

 অন্যদিকে কভারেজ এরিয়া হেলমেট ক্রয়ের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয় । আপনি হেলমেট ব্যবহার করবেন আপনার মাথার সুরক্ষার জন্য এবং সেই হেলমেট মাথায় কতটুকু কভারেজ এরিয়া তৈরি করতে সক্ষম তা যাচাই করে নিবেন। ফুল ফেস হেলমেট মাথা, নাক, চোখ এগুলোর নিরাপত্তা বিধান করে তাই হেলমেট কিনার আগে অবশ্যই ফুল ফেস কভারেজ হেলমেট বাছাই করবেন। এদিকে সেটি আপনার মাথার সাথ ফিট হচ্ছে কী/না তা দেখার বিষয় কারণ মাথার সাথে ফিট না হলে সামান্য ধাক্কাতেই সেটা মাথা থেকে খসে পড়তে পারে এবং ভাঙ্গা রাস্তায় রাইড করতে গেলে মাথার উপরে হেলমেট নড়বর করতে থাকে যেটা একজন রাইডারের সাথে খুবই বিরক্তিকর বিষয় তাই হেলমেট কেনার আগে সেটা আপনার মাথার সাথে ফিট হচ্ছে কী/ না তা দেখে নিন।
ভালো মানের হেলমেট চিনুন দাম দেখে
আমাদের দেশে ভালো মানের সার্টিফাইড হেলমেটের দাম সাধারণ হেলমেটের থেকে বেশি। অনেকেই সার্টিফাইড ভালো মানের হেলমেট কম দামের মধ্যে খুঁজে থাকেন এবং অনেকেই আছেন যে দাম যতই হোক ভালো মানের হেলমেট হবে এটাই মূল কথা। আসোলে বাজেটের উপরে নির্ভর করে আপনি কেমন মানের হেলমেট বাজারে কিনতে পারবেন। আমাদের দেশে ভালো মানের হেলমেট এর দাম ৩৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০০০ টাকার অধিকও রয়েছে। যার যেমন বাজেট এবং চাহিদা সে তেমন হেলমেট ক্রয় করে থাকে। কম দামের মধ্যে সার্টিফাইড হেলমেট আশা করা উচিত না কারণ সার্টিফাইড হেলমেডের দাম একটা মার্জিত মান থেকেই শুরু হয়। তাই বাজেট ও চাহিদা অনুযায়ি আপনি আপনার পছন্দের হেলমেটটি ক্রয় করুন।

আমার শরীরের মধ্যে সবচেয়ে সেনসিটিভ অংশ হচ্ছে আমার মস্তিষ্ক যেটাতে আঘাত পেলেই জীবন হারনো সহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। আর মোটরসাইকেল রাইডের ক্ষেত্রে এই মাথাকে আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য একটি হেলমেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গিয়ারস। অনেকেই বলে থাকে যে হেলমেটের উপর দিয়ে বড় যানবাহনের চাকা গেলে সেই হেলমেটের কিছুই হয়না এটা নিয়ে অনেকেরই দ্বিমত আছে কিন্তু সব কথার মূল কথা হল যে এই হেলমেট আপনাকে বাইক এক্সিডেন্টের সময় মাথায় আঘাত পাওয়া থেকে বিরত রাখবে এবং মাথায় যে আঘাতটা পেলে আপনার বড় ধরনের কোন ক্ষতি হত সেটা থেকেও হেলমেট অনেক সুরক্ষা প্রদান করবে। তাই বাইক কেনার আগে অবশ্যই হেলমেটের জন্য একটি বাজেট রাখবেন এবং ভালো মানের হেলমেট কিনবেন এটাই আমাদের কাম্য।


হেলমেট একজন বাইকারের কাছে খুবই প্রয়োজনীয় একটা গিয়ারস। হ্যাঁ! হেলমেট সর্বাধিক সুরক্ষা প্রদানকারী একটি গিয়ার যা সকল রাইডার তাদের নিজের সুরক্ষার জন্য ব্যাবহার করে থাকে। আমাদের মাথা আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং হেলমেট সেই অঙ্গকেই যে কোন খারাপ ঘটনার হাত থেকে বাঁচায়, তাই নিজেকে বাঁচাতে হেলমেট পরার বিকল্প নেই। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ রাইডারই এখন এই গিয়ার সম্পর্কে সচেতন এবং হেলমেট পরে থাকেন, তবে কখনও কখনও আমাদের জন্য সেরাটি বেছে নেওয়ার সময় আমরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি। অনেকেই ট্র্যাফিক সার্জেন্ট এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নাম মাত্র একটি হেলমেট পড়ি যা সুক্ষার কোন অংশের মধ্যেই ধরা যায় না। ভালো মানের সার্টিফাইড হেলমেট পরিধানের মাধ্যেমে নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায় পাশাপাশি শীতের সময় মাথায় ঠান্ডা লাগা কিংবা বৃষ্টির দিনে মাথাকে পানি থেকে সুরক্ষা করা সহ ভালো মানের হেলমেটের জুরি নেই। আজ আমরা আলোচনা করবো কীভাবে ভালো মানের হেলমেট চিনবেন।

    ভালো মানের হেলমেট চেনার আগে চলুন চিনে আসি হেলমেটের ধরণগুলো
    হাফ হেলমেট
    ওপেন ফেস হেলমেট
    ফুল ফেস হেলমেট
    মডিউলার হেলমেট / ফ্লিপ আপ হেলমেট
    ওফ রোড হেলমেট / ক্রস হেলমেট
    ডুয়াল স্পোর্টস হেলমেট

ভালো হেলমেট চিনুন ম্যাটারিয়ালস ও প্যাডিং দেখে

ভালো মানের হেলমেট চেনার প্রথম উপায় হল তার ম্যাটারিয়ালস। বেশিরভাগ হেলমেট সাধারণত ভালো মানের ফাইবার-গ্লাসের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি হয় এবং উচ্চ প্রান্তগুলি কার্বন কম্পোজিট এবং কেভলার দিয়ে তৈরি হয়।এদিকে হেলমেটের অভ্যন্তরীণ অংশগুলো পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখতে ব্যবহার করা হয় ভালো মানের কুশন যার মধ্যে বায় জাল থাকে এবং এটা ঘাম শোষণে বেশ সহায়ক। প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হেলমেটের কোন নিশ্চয়তা নেই এবং সেটা পড়লেই ভেঙ্গে যাবে। হেলমেট যেহেতু দীর্ঘক্ষন ব্যবহার করতে হয় সেহেতু ভেতরের প্যাডিং খুলে পরিষ্কার করা যায় কী না এবং হেলমেটের ওজন যথেষ্ট হালকা কী না সেটা দেখে নেওয়া জরুরী।

ভালো হেলমেট চিনুন সার্টিফাইড দেখে

ভালো মানের হেলমেট অবশ্যই সার্টিফাইড হবে তার কারণ এটা বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন ভাবে সে কোম্পানীগুলো পরিক্ষা নিরীক্ষা করে তা রাইডারের ব্যবহার উপযোগী কী/না তা নিশ্চিত করে। ECE, DOT, Snell এগুলো সার্টিফাইড কী না সেটা দেখে নিতে হবে। ECE এর পুর্নরপ হচ্ছে Economic Commission for Europe, DOT এর পুর্নরপ হচ্ছে Department of Transportation, Snell হচ্ছে একটি প্রাইভেট অলাভজনক সংস্থা যারা হেলমেটের কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ করে থাকে । অন্যান্য সার্টিফাইড এর থেকে Snell সার্টিফাইড কঠোর মান নিয়ন্ত্রন এর মাধ্যমে হেলমেটের গুণগত মান যাচাই করে এবং এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হেলমেটের মান নিয়ন্ত্রণের উপর কাজ করে আসছে । তাই যখন একটি ভালো মানের হেলমেট কিনবেন তখন অবশ্যই এই সার্টিফাইডগুলো আছে কী/না তা যাচাই বাছাই করে কিনবেন। আমাদের দেশে বেশিরভাগ হেলমেটে ECE, DOT বেশি লক্ষ্য করা যায় তাই অবশ্যই ভালো মানের হেলমেটের যাচাই করার আগে কী কী সার্টিফাইড রয়েছে তা যাচাই করে কিনুন।



ভালো হেলমেট চিনুন আরাম দেখে

হেলমেটগুলোতে সাধারণত ব্যবহার করা হয় বায়ুচলাচলের জন্য উন্নতমানের ভেন্টিলেশন সিস্টেম যেটা গরমের দিনে আপনার হেলমেট ও মাথকে রাখবে শীতল। ভেন্টিলেশন সিস্টেম ভালো হলে রৌদ্রের মধ্যে বেশিক্ষন হেলমেট পড়ে বাইক রাইড রাইডারের অস্বস্তিবোধ হয় না এবং এয়ার ভেন্টিলেশন সিস্টেম ভালো হবার ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে কোন সমস্যা হয় না । তাই ভালো মানের হেলমেট কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিবেন সেই হেলমেটের এয়ার ভেন্টিলেশন সিস্টেম এতে করে আপনি রাইড করতে এবং বেশিক্ষন হেলমেট পরিধান করতে অস্বস্তিবোধ করবেন না। সুতরাং ভালো মানের হেলমেট ক্রয় করার আগে সেই হেলমেটের এয়ার ভেন্টিলেশন সিস্টেম এবং আপনার মাথার সাইজ অনুযায়ী পারফেক্ট সাইজের হেলমেট বেছে নিন।

ভালো হেলমেট চিনুন ভাইজর দেখে

হেলমেটের প্রধান অংশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এর ভাইজর (সামনের স্বচ্ছ প্লাস্টিক) যা আমাদের সামনের যে কোন জিনিস দেখতে সাহায্য করে পাশাপাশি রাস্তায় থাকা বালু কণা , কাদা, ময়লা পানি ইত্যাদি যে আমাদের চোখে , ত্বকে এসে না লাগে সেজন্য ভাইজার ব্যবহার করা জরুরি। একটি ভালো মানের হেলমেটের ভাইজর অবশ্যই উন্নতমানের থাকে । এই ভাইজরে দাগ কম পড়ার প্রবণতা কম থাকে এবং এটা বাইরের ধুলি কণা, বৃষ্টির পানি, কাদা ইত্যাদি মুখে লাগা থেকে রোধ করে যার কারণে একটি ভালো মানের হেলমেটের ভাইজর অবশ্যই উন্নত আছে কী/ না সেটা যাচাই করে নিতে হবে। অন্যদিকে শীতকালে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে কুয়াশার মধ্যে হেলমেটের ভাইজর ভিজে ঝাপসা হয়ে যায় যা রাইড করার ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকিপুর্ন। ভালোমানের হেলমেটের সাথে এন্টি ফগ ভাইজর আছে কী/না সেটাও যাচাই করে নিবেন।

ভালো হেলমেট চিনুন স্টাইল,কভারেজ এরিয়া এবং ফিটিংস দেখে

আমরা কম বেশি সবাই একটি রুচিশীল ভালো মানের হেলমেট ব্যবহার করতে চাই। হেলমেট বাইক রাইড করার সময় অনেকেই লক্ষ্য করে এবং এটা বাইকারদের জন্য সচেতনতার পরিচয় বহন করে। তরুণদের কাছে জাঁকজমকপুর্ন ডিজাইনের হেলমেট বেশি গ্রহণযোগ্য অন্যদিকে মাঝারি বয়সের রাইডারদের কাছে রুচিশীল ডিজাইন ও ভালো কালার কম্বিনেশনের ডিজাইন গ্রহণযোগ্য। আপনি কোন স্টাইল বা কালারের হেলমেট পড়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন এটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই যে হেলমেটই কিনুন না কেন সেটা কেনার আগে আপনার পছন্দের স্টাইল , কালার কম্বিনেশন এবং সেগুলোর মান অবশ্যই যাচাই করে কিনবেন।

অন্যদিকে কভারেজ এরিয়া হেলমেট ক্রয়ের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয় । আপনি হেলমেট ব্যবহার করবেন আপনার মাথার সুরক্ষার জন্য এবং সেই হেলমেট মাথায় কতটুকু কভারেজ এরিয়া তৈরি করতে সক্ষম তা যাচাই করে নিবেন। ফুল ফেস হেলমেট মাথা, নাক, চোখ এগুলোর নিরাপত্তা বিধান করে তাই হেলমেট কিনার আগে অবশ্যই ফুল ফেস কভারেজ হেলমেট বাছাই করবেন। এদিকে সেটি আপনার মাথার সাথ ফিট হচ্ছে কী/না তা দেখার বিষয় কারণ মাথার সাথে ফিট না হলে সামান্য ধাক্কাতেই সেটা মাথা থেকে খসে পড়তে পারে এবং ভাঙ্গা রাস্তায় রাইড করতে গেলে মাথার উপরে হেলমেট নড়বর করতে থাকে যেটা একজন রাইডারের সাথে খুবই বিরক্তিকর বিষয় তাই হেলমেট কেনার আগে সেটা আপনার মাথার সাথে ফিট হচ্ছে কী/ না তা দেখে নিন।



ভালো মানের হেলমেট চিনুন দাম দেখে

আমাদের দেশে ভালো মানের সার্টিফাইড হেলমেটের দাম সাধারণ হেলমেটের থেকে বেশি। অনেকেই সার্টিফাইড ভালো মানের হেলমেট কম দামের মধ্যে খুঁজে থাকেন এবং অনেকেই আছেন যে দাম যতই হোক ভালো মানের হেলমেট হবে এটাই মূল কথা। আসোলে বাজেটের উপরে নির্ভর করে আপনি কেমন মানের হেলমেট বাজারে কিনতে পারবেন। আমাদের দেশে ভালো মানের হেলমেট এর দাম ৩৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০০০ টাকার অধিকও রয়েছে। যার যেমন বাজেট এবং চাহিদা সে তেমন হেলমেট ক্রয় করে থাকে। কম দামের মধ্যে সার্টিফাইড হেলমেট আশা করা উচিত না কারণ সার্টিফাইড হেলমেডের দাম একটা মার্জিত মান থেকেই শুরু হয়। তাই বাজেট ও চাহিদা অনুযায়ি আপনি আপনার পছন্দের হেলমেটটি ক্রয় করুন।

আমার শরীরের মধ্যে সবচেয়ে সেনসিটিভ অংশ হচ্ছে আমার মস্তিষ্ক যেটাতে আঘাত পেলেই জীবন হারনো সহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। আর মোটরসাইকেল রাইডের ক্ষেত্রে এই মাথাকে আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য একটি হেলমেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গিয়ারস। অনেকেই বলে থাকে যে হেলমেটের উপর দিয়ে বড় যানবাহনের চাকা গেলে সেই হেলমেটের কিছুই হয়না এটা নিয়ে অনেকেরই দ্বিমত আছে কিন্তু সব কথার মূল কথা হল যে এই হেলমেট আপনাকে বাইক এক্সিডেন্টের সময় মাথায় আঘাত পাওয়া থেকে বিরত রাখবে এবং মাথায় যে আঘাতটা পেলে আপনার বড় ধরনের কোন ক্ষতি হত সেটা থেকেও হেলমেট অনেক সুরক্ষা প্রদান করবে। তাই বাইক কেনার আগে অবশ্যই হেলমেটের জন্য একটি বাজেট রাখবেন এবং ভালো মানের হেলমেট কিনবেন এটাই আমাদের কাম্য।





  MORE GURU GUIDE  


কীভাবে হেলমেটের ভাইজরের পরিস্কার করবেন ?

2020-08-23  125

হেলমেট হচ্ছে বাইক রাইডিং করার জন্য অবিচ্ছেদ্য একটি পার্টস। হেলমেটের প্রধান অংশগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এর ভাইজর (সামনের স্বচ্ছ প্লাস্টিক) যা আমাদের সামনের যে কোন জিনিস দেখতে সাহায্য করে পাশাপাশি রাস্তায় থাকা বালু কণা , কাদা, ময়লা পানি ইত্যাদি যে আমাদের চোখে , ত্বকে এসে না লাগে সেজন্য ভাইজার ব্যবহার করা জরুরি। হেলমেটের ভাইজর (সামনের স্বচ্ছ প্লাস্টিক) পরিস্কা...   Bangla     English  




  NEWS  


নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে Motul এখন বাংলাদেশে

2020-08-29   219

বাইকারদের প্রিয় ও বিশ্বস্ত লুব্রিক্যান্টস ব্র্যান্ড Motul এর পথচলা শুরু হয়েছে স্বরূপে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে। বাংলাদেশে মতুল লুব্রিক্যান্টস এর নতুন যাত্রা শুরু হলো অফিসিয়ালি বাই Moto Industries Limited এর সাথে। সুজুকির সকল আউটলেটে মতুল লুব্রিক্যান্টস পাবেন সেই সাথে অন্যান্য লুব্রিক্যান্টস শপেও পাবেন মতুল লুব্রিক্যান্টস।প্রোডাক্ট লাইনআপ১। মোটরসাই...   Bangla     English  



বাংলাদেশের বাজারে এলো শার্ক হেলমেট

2020-08-24   142

বাংলাদেশের হেলমেট প্রেমীদের জন্য সুখবর। এখন বিশ্বখ্যাত শার্ক ব্রান্ডের হেলমেট পাওয়া যাবে বাংলাদেশে। জনপ্রিয় এই হেলমেট প্রস্তুতকারক ব্র্যান্ডটি পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোতে সুনামের সাথে হেলমেট বিক্রয় করে আসছে এবং তাদের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। ভালো কোয়ালিটি, স্টাইলিশ ডিজাইন এবং বিভিন্ন ধরনের হেলমেট থাকায় এই জনপ্রিয়তা শীর্ষে । এতদিন আমরা দেশে আসছি আমাদের পার্...   Bangla     English  




  FEATURES  


ইঞ্জিন অয়েল ধরন ও সুবিধা–অসুবিধা

2020-08-24   155

ইঞ্জিন অয়েল কী? ইঞ্জিন অয়েল ধরন সম্পর্কে জানার আগে প্রথমেই জানতে হবে ইঞ্জিন অয়েল কী? ইঞ্জিন অয়েল হচ্ছে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন কে পিচ্ছিল রাখা যাতে সহজে ইঞ্জিনের পার্টস মুভমেন্ট হয়, ইঞ্জিন কে ঠান্ডা রাখা, ইঞ্জিন চলার ফলে যে সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ময়লা হয় তা পরিস্কার করে ইঞ্জিন কে সঠিকভাবে চলতে দেয়া যাতে সঠিক আউটপুট পাওয়া যায়। যদিও আমাদের দেশে ইনজিন অয়েল মবিল নামেই ব...   Bangla     English  



মোটরসাইকেল হেলমেটের প্রকারভেদ

2020-08-20   156

হেলমেট একজন বাইকারের কাছে ততটাই প্রয়োজনীয় ঠিক যতটা হচ্ছে বাইকের ফুয়েল। হ্যাঁ! হেলমেট সর্বাধিক সুরক্ষা প্রদানকারী একটি গিয়ার যা সকল রাইডার তাদের নিজের সুরক্ষার জন্য ব্যাবহার করে থাকে। আমাদের মাথা আমাদের দেহের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং হেলমেট সেই অঙ্গকেই যে কোন খারাপ ঘটনার হাত থেকে বাঁচায়, তাই নিজেকে বাঁচাতে হেলমেট পরার বিকল্প নেই। আমাদের মধ্যে বে...   Bangla     English